ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মানসিক স্বাস্থ্যকে মন্ত্রণালয়ের আওতায় রেখে অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন  Logo ড. ইউনূসকে হয়রানি ও হেনস্তায় সাবেক ১২ উপদেষ্টার ক্ষোভ-নিন্দা Logo শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত Logo দশ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় Logo ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ স্ট্যাটাস-মিম, জাবি শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রশাসনের Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ

অবিরাম স্ক্রিন ব্যবহারের যুগে চোখের স্বস্তিও এখন গুরুত্বপূর্ণ

স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অফিসের ই–মেইল, অনলাইন ক্লাস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কিংবা যাতায়াতের পথে ভিডিও দেখা দিনের বড় একটি সময়ই কেটে যায় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। ফলে অনেক ব্যবহারকারীই চোখের ক্লান্তি, অস্বস্তি বা ডিজিটাল ফ্যাটিগের মতো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। এর একটি কারণ হলো ডিসপ্লের ‘ফ্লিকারিং’ বা সূক্ষ্ম ঝিলমিলানি, যা খালি চোখে ধরা না পড়লেও দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে অস্বস্তি, মাথাব্যথা কিংবা চোখের ক্লান্তির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে কম উজ্জ্বলতায় বা অন্ধকার পরিবেশে ফোন ব্যবহারের সময় এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মার্টফোন নির্মাতারা এখন উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির পিডব্লিউএম (PWM) ডিমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এ প্রযুক্তি ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণের সময় ফ্লিকারিং কমাতে সাহায্য করে, ফলে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও চোখ তুলনামূলক স্বস্তি পেতে পারে।

এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো স্মার্টফোনেও। ডিভাইসটিতে ২৩০৪ হার্টজ পিডব্লিউএম ডিমিং প্রযুক্তি রয়েছে, যা ডিসপ্লের সূক্ষ্ম ঝিলমিলানি কমাতে সহায়তা করে। ফলে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা, কনটেন্ট দেখা কিংবা রাতে ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও আরামদায়ক হতে পারে।

এ ছাড়া স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ‘মোশন সিকনেস রিলিফ’ নামের একটি ফিচার। চলন্ত গাড়ি বা বাসে ফোন ব্যবহার করার সময় অনেকের চোখে অস্বস্তি বা মাথা ঘোরার অনুভূতি তৈরি হয়। এ ফিচারটি স্ক্রিনে কনটেন্ট প্রদর্শনকে আরও স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে, যা যাত্রাপথে ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে।

স্মার্টফোন শিল্পে এ ধরনের উদ্যোগ একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আগে যেখানে নির্মাতারা মূলত প্রসেসর, ক্যামেরা বা ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা নিয়ে প্রতিযোগিতা করত, এখন ব্যবহারকারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তি ও সুস্থতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ প্রযুক্তি যত বেশি আমাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে সেটি ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা।
সেই বিবেচনায় ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো ফোনের হাই-ফ্রিকোয়েন্সি পিডব্লিউএম ডিমিং বা মোশন সিকনেস রিলিফের মতো প্রযুক্তি কেবল নতুন ফিচার নয়, বরং ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা। আর স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় বাড়তে থাকায়, ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ডিসপ্লে উন্নয়ন হয়তো শুধু আরও উজ্জ্বল বা আরও তীক্ষ্ণ স্ক্রিন নয়, বরং এমন প্রযুক্তিই হবে যা ব্যবহারকারীর চোখকে দীর্ঘ সময় স্বস্তিতে রাখতে পারে।

জনপ্রিয়

মানসিক স্বাস্থ্যকে মন্ত্রণালয়ের আওতায় রেখে অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

অবিরাম স্ক্রিন ব্যবহারের যুগে চোখের স্বস্তিও এখন গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত ১২:৪২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অফিসের ই–মেইল, অনলাইন ক্লাস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কিংবা যাতায়াতের পথে ভিডিও দেখা দিনের বড় একটি সময়ই কেটে যায় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। ফলে অনেক ব্যবহারকারীই চোখের ক্লান্তি, অস্বস্তি বা ডিজিটাল ফ্যাটিগের মতো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। এর একটি কারণ হলো ডিসপ্লের ‘ফ্লিকারিং’ বা সূক্ষ্ম ঝিলমিলানি, যা খালি চোখে ধরা না পড়লেও দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে অস্বস্তি, মাথাব্যথা কিংবা চোখের ক্লান্তির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে কম উজ্জ্বলতায় বা অন্ধকার পরিবেশে ফোন ব্যবহারের সময় এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মার্টফোন নির্মাতারা এখন উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির পিডব্লিউএম (PWM) ডিমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এ প্রযুক্তি ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণের সময় ফ্লিকারিং কমাতে সাহায্য করে, ফলে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও চোখ তুলনামূলক স্বস্তি পেতে পারে।

এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো স্মার্টফোনেও। ডিভাইসটিতে ২৩০৪ হার্টজ পিডব্লিউএম ডিমিং প্রযুক্তি রয়েছে, যা ডিসপ্লের সূক্ষ্ম ঝিলমিলানি কমাতে সহায়তা করে। ফলে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা, কনটেন্ট দেখা কিংবা রাতে ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও আরামদায়ক হতে পারে।

এ ছাড়া স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ‘মোশন সিকনেস রিলিফ’ নামের একটি ফিচার। চলন্ত গাড়ি বা বাসে ফোন ব্যবহার করার সময় অনেকের চোখে অস্বস্তি বা মাথা ঘোরার অনুভূতি তৈরি হয়। এ ফিচারটি স্ক্রিনে কনটেন্ট প্রদর্শনকে আরও স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে, যা যাত্রাপথে ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে।

স্মার্টফোন শিল্পে এ ধরনের উদ্যোগ একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আগে যেখানে নির্মাতারা মূলত প্রসেসর, ক্যামেরা বা ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা নিয়ে প্রতিযোগিতা করত, এখন ব্যবহারকারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তি ও সুস্থতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ প্রযুক্তি যত বেশি আমাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে সেটি ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা।
সেই বিবেচনায় ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো ফোনের হাই-ফ্রিকোয়েন্সি পিডব্লিউএম ডিমিং বা মোশন সিকনেস রিলিফের মতো প্রযুক্তি কেবল নতুন ফিচার নয়, বরং ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা। আর স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় বাড়তে থাকায়, ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ডিসপ্লে উন্নয়ন হয়তো শুধু আরও উজ্জ্বল বা আরও তীক্ষ্ণ স্ক্রিন নয়, বরং এমন প্রযুক্তিই হবে যা ব্যবহারকারীর চোখকে দীর্ঘ সময় স্বস্তিতে রাখতে পারে।