ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

রাহুল গান্ধীর আবেদনে ২২০ রুপির ফি ঘাটতিসহ ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ও নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী জোটের নেতাদের করা যৌথ আবেদনে বড় ধরনের ত্রুটি পেয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের রেজিস্ট্রি বিভাগ জানিয়েছে, এই আবেদনে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি বাবদ ২২০ রুপির ঘাটতি রয়েছে এবং মোট ১৪টি ত্রুটি চিহ্নিত করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী আবেদনকারীদের এই ত্রুটিগুলো দ্রুত সংশোধন করতে হবে, নতুবা মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হবে না।

আদালত প্রশাসন জানিয়েছে, মূল আবেদনে ৯ জন আবেদনকারীর ওকালতনামা যুক্ত করা হয়নি এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের ফটোকপি বেশ অস্পষ্ট। এছাড়া অতিরিক্ত ছোট ফন্টের ব্যবহার, দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন কপি জমা না দেওয়া, অস্পষ্ট ও পড়ার অযোগ্য লেখা এবং বাদ পড়া পৃষ্ঠার মতো ত্রুটি ধরা পড়েছে। পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদ ছাড়া আঞ্চলিক ভাষার নথি জমা দেওয়া এবং পৃষ্ঠা নম্বরের অসঙ্গতির মতো বিষয়গুলোতেও আপত্তি তুলেছে আদালত প্রশাসন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ আদালতে মামলাটি ‘রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন’ নামে তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এতে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও বিরোধী জোটের একাধিক শীর্ষ নেতা স্বাক্ষর করেছেন। এই আবেদনে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি সৌগত রায়, আরজেডির তেজস্বী যাদব এবং এনসিপির সুপ্রিয়া সুলেসহ বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ যুক্ত রয়েছেন। এই যৌথ আবেদনে ভারতের নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই আবেদনে এসআইআর সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ, সাংবিধানিক বৈধতা যাচাই এবং স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের মতো ১০ দফা প্রতিকার চাওয়া হয়েছে। একই দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও ভোট চুরির প্রতিবাদে হাজার হাজার বিরোধী নেতাকর্মী নয়া দিল্লির রাজপথে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রা করেন। এর আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করলেও বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয়

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: মেঘনায় আটক ২৪ জেলেকে ২০ দিনের কারাদণ্ড

রাহুল গান্ধীর আবেদনে ২২০ রুপির ফি ঘাটতিসহ ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশিত ১০:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ও নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী জোটের নেতাদের করা যৌথ আবেদনে বড় ধরনের ত্রুটি পেয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের রেজিস্ট্রি বিভাগ জানিয়েছে, এই আবেদনে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি বাবদ ২২০ রুপির ঘাটতি রয়েছে এবং মোট ১৪টি ত্রুটি চিহ্নিত করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী আবেদনকারীদের এই ত্রুটিগুলো দ্রুত সংশোধন করতে হবে, নতুবা মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হবে না।

আদালত প্রশাসন জানিয়েছে, মূল আবেদনে ৯ জন আবেদনকারীর ওকালতনামা যুক্ত করা হয়নি এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের ফটোকপি বেশ অস্পষ্ট। এছাড়া অতিরিক্ত ছোট ফন্টের ব্যবহার, দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন কপি জমা না দেওয়া, অস্পষ্ট ও পড়ার অযোগ্য লেখা এবং বাদ পড়া পৃষ্ঠার মতো ত্রুটি ধরা পড়েছে। পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদ ছাড়া আঞ্চলিক ভাষার নথি জমা দেওয়া এবং পৃষ্ঠা নম্বরের অসঙ্গতির মতো বিষয়গুলোতেও আপত্তি তুলেছে আদালত প্রশাসন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ আদালতে মামলাটি ‘রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন’ নামে তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এতে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও বিরোধী জোটের একাধিক শীর্ষ নেতা স্বাক্ষর করেছেন। এই আবেদনে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি সৌগত রায়, আরজেডির তেজস্বী যাদব এবং এনসিপির সুপ্রিয়া সুলেসহ বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ যুক্ত রয়েছেন। এই যৌথ আবেদনে ভারতের নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই আবেদনে এসআইআর সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ, সাংবিধানিক বৈধতা যাচাই এবং স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের মতো ১০ দফা প্রতিকার চাওয়া হয়েছে। একই দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও ভোট চুরির প্রতিবাদে হাজার হাজার বিরোধী নেতাকর্মী নয়া দিল্লির রাজপথে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রা করেন। এর আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করলেও বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তা সম্ভব হয়নি।