ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রী আসছেন, রং লাগল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের আবক্ষ মূর্তিতে Logo নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী Logo মিষ্টি থেকে ইশরাক: কী বার্তা দিচ্ছেন তারেক রহমান? Logo ‘কিশোর গ্যাং’: উত্থান ঠেকাতে উপজেলাগুলোয় কমিটি করছে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী মাদকবিরোধী যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন: ইশরাক Logo যে কারণে পদত্যাগ করলেন ইশরাক Logo ইউপি নির্বাচনের আগে সরকারি এমপিদের বরাদ্দ বিতর্কের কারণ হতে পারে Logo সম্রাট আশুরবানিপাল ও পৃথিবীর প্রথম গ্রন্থাগার Logo কম্বোডিয়ায় মুক্তি পাওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন মঙ্গলবার Logo দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত

দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত

বিনোদন ডেস্ক: শারদীয় দুর্গোৎসবের দিনগুলোতে ঢাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত। নাচের মঞ্চের বছরজুড়ে ব্যস্ততার পর উৎসবের এই সময়টা তিনি পুরোপুরি ছুটি হিসেবে কাটাচ্ছেন। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সময় দেওয়ার পাশাপাশি তিনি রাজধানীর নানা প্রান্তের মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। মহাসপ্তমীর দিনে তিনি বনানী, খামারবাড়ি ও কলাবাগান এলাকার মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখেছেন। অতিরিক্ত ভিড় এড়ানোর চেষ্টা করে তিনি বসুন্ধরা ও উত্তরার মণ্ডপগুলোও ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেছেন।

শৈশব আর বর্তমানের উৎসবের আনন্দের মধ্যে কোনো পার্থক্য টানতে নারাজ এই শিল্পী। তার মতে, ছোটবেলার মতো তিনি এখনও প্রতিটি মুহূর্ত সমানভাবে উপভোগ করছেন এবং তার ভেতরের শিশুসুলভ মনটি ফুরিয়ে যায়নি। জীবনকে একটি গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে তুলনা করে তিনি জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার জীবন আরও সুন্দর ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে। যত সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, জীবনকে তার কাছে আরও বেশি সুরভিত ও আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। এটিই তার নিজস্ব জীবনদর্শন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পূজার বর্তমান সময় পুরোটাই কাটছে ছুটির আমেজে এবং তিনি ছুটির দিনে পেশাগত কোনো কথা বলতে নারাজ। পূজার ছুটির দিনগুলো তিনি সম্পূর্ণভাবে পরিবার এবং আপনজনদের সঙ্গে কাটাচ্ছেন। উৎসবের ছুটি শেষ হওয়ার পরেই তিনি তার ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। পূজার ছুটির এই দিনগুলোতে তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় কাটানোর ওপরই মূল জোর রয়েছে।

উল্লেখ্য, পূজা সেনগুপ্ত দেশের জনপ্রিয় রেপার্টরি ডান্স থিয়েটার ‘তুরঙ্গমী’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি বাংলাদেশের নাচের নিজস্ব ধারা তৈরি এবং পেশাদারিত্ব আনয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তার নির্দেশনায় ‘ওয়াটারনেস’, ‘অনামিকা সাগরকন্যা’, ‘নন্দিনী’ ও ‘হোচিমিনের’ মতো প্রশংসিত ড্যান্স থিয়েটার নির্মিত হয়েছে। নৃত্যশিল্পে অবদানের জন্য তিনি ২০২২ সালে ভিয়েতনাম সরকারের মর্যাদাপূর্ণ ‘ফ্রেন্ডশিপ মেডেল’ লাভ করেন।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী আসছেন, রং লাগল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের আবক্ষ মূর্তিতে

দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত

প্রকাশিত ০২:৫২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: শারদীয় দুর্গোৎসবের দিনগুলোতে ঢাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত। নাচের মঞ্চের বছরজুড়ে ব্যস্ততার পর উৎসবের এই সময়টা তিনি পুরোপুরি ছুটি হিসেবে কাটাচ্ছেন। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সময় দেওয়ার পাশাপাশি তিনি রাজধানীর নানা প্রান্তের মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। মহাসপ্তমীর দিনে তিনি বনানী, খামারবাড়ি ও কলাবাগান এলাকার মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখেছেন। অতিরিক্ত ভিড় এড়ানোর চেষ্টা করে তিনি বসুন্ধরা ও উত্তরার মণ্ডপগুলোও ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেছেন।

শৈশব আর বর্তমানের উৎসবের আনন্দের মধ্যে কোনো পার্থক্য টানতে নারাজ এই শিল্পী। তার মতে, ছোটবেলার মতো তিনি এখনও প্রতিটি মুহূর্ত সমানভাবে উপভোগ করছেন এবং তার ভেতরের শিশুসুলভ মনটি ফুরিয়ে যায়নি। জীবনকে একটি গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে তুলনা করে তিনি জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার জীবন আরও সুন্দর ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে। যত সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, জীবনকে তার কাছে আরও বেশি সুরভিত ও আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। এটিই তার নিজস্ব জীবনদর্শন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পূজার বর্তমান সময় পুরোটাই কাটছে ছুটির আমেজে এবং তিনি ছুটির দিনে পেশাগত কোনো কথা বলতে নারাজ। পূজার ছুটির দিনগুলো তিনি সম্পূর্ণভাবে পরিবার এবং আপনজনদের সঙ্গে কাটাচ্ছেন। উৎসবের ছুটি শেষ হওয়ার পরেই তিনি তার ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। পূজার ছুটির এই দিনগুলোতে তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় কাটানোর ওপরই মূল জোর রয়েছে।

উল্লেখ্য, পূজা সেনগুপ্ত দেশের জনপ্রিয় রেপার্টরি ডান্স থিয়েটার ‘তুরঙ্গমী’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি বাংলাদেশের নাচের নিজস্ব ধারা তৈরি এবং পেশাদারিত্ব আনয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তার নির্দেশনায় ‘ওয়াটারনেস’, ‘অনামিকা সাগরকন্যা’, ‘নন্দিনী’ ও ‘হোচিমিনের’ মতো প্রশংসিত ড্যান্স থিয়েটার নির্মিত হয়েছে। নৃত্যশিল্পে অবদানের জন্য তিনি ২০২২ সালে ভিয়েতনাম সরকারের মর্যাদাপূর্ণ ‘ফ্রেন্ডশিপ মেডেল’ লাভ করেন।