ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠুক শিক্ষার্থীরা

শিক্ষা ডেস্ক: চিকিৎসা এবং প্রকৌশলসহ বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের কাজ করার ধরন पूरीपणे বদলে দিচ্ছে। এমন বাস্তবতায় শুধু গতানুগতিক পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই প্রচলিত পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

আমাদের দেশে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য একাডেমিক পড়াশোনায় প্রচুর পরিশ্রম করে থাকে। কিন্তু এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি কম্পিউটার চালনায় পারদর্শিতা অর্জন করা দরকার। প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের ব্যবহার, প্রোগ্রামিং এবং তথ্য বিশ্লেষণ শেখা ভবিষ্যতে তাদের কর্মজীবনে দারুণ সহায়তা করবে।

প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনকে সময়ের অপচয় মনে না করে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ ব্যবহার আয়ত্ত করে তথ্য অনুসন্ধান ও কঠিন বিষয় সহজে অনুধাবন করা সম্ভব। একই সঙ্গে এআইয়ের দেওয়া তথ্যের সঠিকতা যাচাই করার মানসিকতা এবং নিজস্ব চিন্তাশক্তি বজায় রাখা প্রয়োজন।

প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যতে যেকোনো পেশায় সফলভাবে প্রস্তুত করতে পারবে। ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষ জ্ঞানের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে হবে।

জনপ্রিয়

৫ হাজার টনেরও বেশি ওজনের স্টারশিপ রকেট কতটা শক্তিশালী?

প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠুক শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত ০৫:০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: চিকিৎসা এবং প্রকৌশলসহ বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের কাজ করার ধরন पूरीपणे বদলে দিচ্ছে। এমন বাস্তবতায় শুধু গতানুগতিক পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই প্রচলিত পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

আমাদের দেশে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য একাডেমিক পড়াশোনায় প্রচুর পরিশ্রম করে থাকে। কিন্তু এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি কম্পিউটার চালনায় পারদর্শিতা অর্জন করা দরকার। প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের ব্যবহার, প্রোগ্রামিং এবং তথ্য বিশ্লেষণ শেখা ভবিষ্যতে তাদের কর্মজীবনে দারুণ সহায়তা করবে।

প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনকে সময়ের অপচয় মনে না করে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ ব্যবহার আয়ত্ত করে তথ্য অনুসন্ধান ও কঠিন বিষয় সহজে অনুধাবন করা সম্ভব। একই সঙ্গে এআইয়ের দেওয়া তথ্যের সঠিকতা যাচাই করার মানসিকতা এবং নিজস্ব চিন্তাশক্তি বজায় রাখা প্রয়োজন।

প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যতে যেকোনো পেশায় সফলভাবে প্রস্তুত করতে পারবে। ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষ জ্ঞানের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে হবে।