ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

ট্রাম্প প্রশাসন বোলসোনারোকে ব্রাজিল থেকে পালাতে সাহায্য করেনি: রুবিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্রাজিলের পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফ্লাবিও বোলসোনারোকে দেশ ছেড়ে পালাতে কোনো সহায়তা করেনি। ব্রাজিলের নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পর বোলসোনারো গোপনে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই জানিয়েছিল যে বোলসোনারো ও তার পরিবারকে ভিসা দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে তিনি ফ্লোরিডার মায়ামি শহরে পৌঁছান। ব্রাজিলে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত চলমান রয়েছে।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর বোলসোনারো সীমান্ত পেরিয়ে আর্জেন্টিনা ও একুয়েডর হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে আসে। এর আগে দেশ ছাড়ার প্রাক্কালে তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশের সন্দেহ ছিল তিনি পালাতে পারেন। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় জি-২০ ও কোয়াড জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান রুবিও। তিনি উল্লেখ করেন যে বোলসোনারো সংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপের সঙ্গেই মার্কিন সরকার সরাসরি যুক্ত ছিল না।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুবিও স্পষ্ট করেন যে তারা বোলসোনারোর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর খবর পেয়েছিলেন এবং তার কাছে পূর্ব থেকেই একটি ভিসা ছিল। তাছাড়া তৎকালীন প্রেসিডেন্ট তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে বোলসোনারোর এই যাত্রার একাংশ আয়োজনে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তা জেসন মিলার সহায়তা করেছিলেন। তবে রুবিও মার্কিন সরকারের সরাসরি কোনো ধরনের জড়িত থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বোলসোনারোর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন যে তার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করা হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন যে বোলসোনারো যতদিন ইচ্ছা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন এবং রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী তাকে মানবিক প্যারোলের আওতায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মানবিক প্যারোল মর্যাদা সাধারণত এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে, যা লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে ডানপন্থি ধারায় পরাজিত এক নেতার বর্তমান অবস্থানকে নির্দেশ করে।

জনপ্রিয়

৪ রানে সাকিবের ৩ উইকেট

ট্রাম্প প্রশাসন বোলসোনারোকে ব্রাজিল থেকে পালাতে সাহায্য করেনি: রুবিও

প্রকাশিত ০৫:২২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্রাজিলের পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফ্লাবিও বোলসোনারোকে দেশ ছেড়ে পালাতে কোনো সহায়তা করেনি। ব্রাজিলের নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পর বোলসোনারো গোপনে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই জানিয়েছিল যে বোলসোনারো ও তার পরিবারকে ভিসা দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে তিনি ফ্লোরিডার মায়ামি শহরে পৌঁছান। ব্রাজিলে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত চলমান রয়েছে।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর বোলসোনারো সীমান্ত পেরিয়ে আর্জেন্টিনা ও একুয়েডর হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে আসে। এর আগে দেশ ছাড়ার প্রাক্কালে তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশের সন্দেহ ছিল তিনি পালাতে পারেন। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় জি-২০ ও কোয়াড জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান রুবিও। তিনি উল্লেখ করেন যে বোলসোনারো সংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপের সঙ্গেই মার্কিন সরকার সরাসরি যুক্ত ছিল না।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুবিও স্পষ্ট করেন যে তারা বোলসোনারোর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর খবর পেয়েছিলেন এবং তার কাছে পূর্ব থেকেই একটি ভিসা ছিল। তাছাড়া তৎকালীন প্রেসিডেন্ট তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে বোলসোনারোর এই যাত্রার একাংশ আয়োজনে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তা জেসন মিলার সহায়তা করেছিলেন। তবে রুবিও মার্কিন সরকারের সরাসরি কোনো ধরনের জড়িত থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বোলসোনারোর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন যে তার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করা হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন যে বোলসোনারো যতদিন ইচ্ছা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন এবং রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী তাকে মানবিক প্যারোলের আওতায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মানবিক প্যারোল মর্যাদা সাধারণত এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে, যা লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে ডানপন্থি ধারায় পরাজিত এক নেতার বর্তমান অবস্থানকে নির্দেশ করে।