সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করা এটা প্রতিবাদ নয়, বরং দায়িত্বহীনতার প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু’র) জিএস
সালাহউদ্দিন আম্মার।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) বিএনপির সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ার প্রেক্ষিতে নিজের ভেরিফাইড ফেজবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, জনগণ ভোট দেয় দায়িত্ব পালনের জন্য,নাটক করার জন্য না। জন রায় পাওয়ার পরও সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করা এটা প্রতিবাদ নয়, এটা দায়িত্বহীনতার প্রকাশ। জনরায়কে উপেক্ষা করে রাজনীতি করলে সেটা গণতন্ত্রচর্চা নয় সেটা ক্ষমতার খেলা। জনগণের ভোটকে চাপ সৃষ্টির কৌশল বানানো মানে জনগণকে ব্যবহার করা। এই দ্বৈত অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় সংস্কার তাদের অগ্রাধিকার নয় , কৌশল মাত্র।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ,সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যদি সত্যিই সংস্কারের পক্ষে থাকতেন তবে প্রাতিষ্ঠানিক জায়গায় দাঁড়িয়ে লড়াই করতেন। বাইরে দাঁড়িয়ে “সংস্কার” বলাটা সহজ ভেতরে ঢুকে জবাবদিহি করা কঠিন। আজ তারা কঠিন পথটা এড়িয়ে গেলেন।
আম্মার বলেন, রাজনীতি যদি সত্যিই নীতির হয় তাহলে ম্যান্ডেট মানতে হয়। আর যদি ম্যান্ডেট সুবিধাজনক না হয় বলে সরে দাঁড়ানো হয় তাহলে সেটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা।
ইতিহাস নির্মম। যারা জনরায়কে তুচ্ছ করে তাদের জায়গা শেষ পর্যন্ত প্রান্তেই হয়।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নবনির্বাচিতরা সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহন করেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিচ্ছেন না।




















