ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সমাজে ‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করা’ তিন ব্যক্তির Logo খালুকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, সিরাজগঞ্জে শিক্ষক বরখাস্ত Logo সিজিএসের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদে পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব Logo এতগুলো বোয়িং কেনা হচ্ছে, এখন মার্কিন সহায়তা বাড়া উচিত: অর্থমন্ত্রী Logo আমানত ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে পদ্মা ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন Logo শিল্পকলায় সন্ধ্যায় দেখা যাবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রক্তকরবী’ Logo ক্যারিয়ার সেরা চারে শ্রেয়াস, ১৪৭ ধাপ এগিয়েছেন রেনশ Logo বাংলাদেশে উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের ‘হাব’ গড়তে চায় ইতালি Logo সাজেকে ফের সড়ক অবরোধের ঘোষণা Logo অনুভূতি বোঝেন, তবু মন কেন ভালো হয় না?

অনুভূতি বোঝেন, তবু মন কেন ভালো হয় না?

লাইফস্টাইল ডেস্ক: কঠিন কোনো ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পরিষ্কার জানা থাকার পরও অনেকের মনের ভেتরের অস্বস্তি কাটতে চায় না। একই বিষয় নিয়ে বারবার চিন্তা করা এবং যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার পরও কোনো স্বস্তি মেলে না। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই প্রবণতাকে ‘বুদ্ধিবৃত্তিকীকরণ’ বলা হয়, যেখানে সরাসরি অনুভূতি অনুভব না করে যুক্তির মাধ্যমে তা সামলানোর চেষ্টা করা হয়। এর ফলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও নিজের আসল অনুভূতি উপলব্ধি করার পথ অনেকটাই আড়াল হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা কর্মক্ষেত্রে ব্যর্থতার মতো বিষয়গুলোর কারণ খোঁজা স্বাভাবিক হলেও সমস্যা তৈরি হয় যখন প্রতিটি অনুভূতিকে যুক্তি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হয়। মার্কিন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জেসি গোল্ড উল্লেখ করেছেন যে মানুষ অনেক সময় পরিস্থিতি বিশ্লেষণে এতই ব্যস্ত থাকে যে নিজের অনুভূতির সঙ্গে কোনো সংযোগই থাকে না। ফলে যুক্তি দিয়ে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও ভেতরের অদৃশ্য কষ্টগুলো দূর হয় না।

যুক্ত দিয়ে অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে যা অনেকের আচরণে প্রকাশ পায়। মন খারাপের কারণ বা ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে পারলেও অনেকে নিজের ভেতরের একাকীত্ব, হতাশা বা অপমানের কথা বলতে গিয়ে আটকে যান। থেরাপিস্ট ডা. নারি জেটার মতে, কষ্টের অনুভূতিগুলোকে দ্রুত দূর করার তাগিদ বা সবকিছু অতিরিক্ত শান্তভাবে প্রকাশ করার মতো বিষয়গুলো আসলে অনুভূতি এড়িয়ে যাওয়ারই একেকটি উপায়।

সব অনুভূতির পেছনে সবসময় যৌক্তিক ব্যাখ্যা থাকে না এবং অন্যের কাছে গুরুত্বহীন ঘটনাও মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রাগ বা কষ্টের কারণ খুঁজে বের করার পাশাপাশি সেই অনুভূতিগুলো নীরবে অনুভব করা এবং নিজের মনের অবস্থাকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা জরুরি। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক অস্বস্তি না কাটলে কিংবা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হলে একজন মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উপকারী হতে পারে।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সমাজে ‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করা’ তিন ব্যক্তির

অনুভূতি বোঝেন, তবু মন কেন ভালো হয় না?

প্রকাশিত ০৪:৫২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: কঠিন কোনো ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পরিষ্কার জানা থাকার পরও অনেকের মনের ভেتরের অস্বস্তি কাটতে চায় না। একই বিষয় নিয়ে বারবার চিন্তা করা এবং যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার পরও কোনো স্বস্তি মেলে না। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই প্রবণতাকে ‘বুদ্ধিবৃত্তিকীকরণ’ বলা হয়, যেখানে সরাসরি অনুভূতি অনুভব না করে যুক্তির মাধ্যমে তা সামলানোর চেষ্টা করা হয়। এর ফলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও নিজের আসল অনুভূতি উপলব্ধি করার পথ অনেকটাই আড়াল হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা কর্মক্ষেত্রে ব্যর্থতার মতো বিষয়গুলোর কারণ খোঁজা স্বাভাবিক হলেও সমস্যা তৈরি হয় যখন প্রতিটি অনুভূতিকে যুক্তি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হয়। মার্কিন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জেসি গোল্ড উল্লেখ করেছেন যে মানুষ অনেক সময় পরিস্থিতি বিশ্লেষণে এতই ব্যস্ত থাকে যে নিজের অনুভূতির সঙ্গে কোনো সংযোগই থাকে না। ফলে যুক্তি দিয়ে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও ভেতরের অদৃশ্য কষ্টগুলো দূর হয় না।

যুক্ত দিয়ে অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে যা অনেকের আচরণে প্রকাশ পায়। মন খারাপের কারণ বা ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে পারলেও অনেকে নিজের ভেতরের একাকীত্ব, হতাশা বা অপমানের কথা বলতে গিয়ে আটকে যান। থেরাপিস্ট ডা. নারি জেটার মতে, কষ্টের অনুভূতিগুলোকে দ্রুত দূর করার তাগিদ বা সবকিছু অতিরিক্ত শান্তভাবে প্রকাশ করার মতো বিষয়গুলো আসলে অনুভূতি এড়িয়ে যাওয়ারই একেকটি উপায়।

সব অনুভূতির পেছনে সবসময় যৌক্তিক ব্যাখ্যা থাকে না এবং অন্যের কাছে গুরুত্বহীন ঘটনাও মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রাগ বা কষ্টের কারণ খুঁজে বের করার পাশাপাশি সেই অনুভূতিগুলো নীরবে অনুভব করা এবং নিজের মনের অবস্থাকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা জরুরি। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক অস্বস্তি না কাটলে কিংবা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হলে একজন মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উপকারী হতে পারে।