প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের তরুণ সমাজকে ভবিষ্যতের উপযোগী ও বাস্তবমুখী দক্ষ করে তুলতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বুটক্যাম্পের আয়োজন করেছে গ্রামীণফোন একাডেমি। অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মটির উদ্যোগে আয়োজিত এই বুটক্যাম্পের মূল লক্ষ্য ছিল উদীয়মান উদ্ভাবকদের একত্রিত করা। অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী আইডিয়াকে এআই-চালিত ডিজিটাল সমাধানে রূপান্তর করতে সহায়তা করা হয় এই আয়োজনের মাধ্যমে। নির্বাচিত ৮০ জন তরুণ শিক্ষার্থী এতে অংশ নিয়ে হাতে-কলমে শেখার এবং নিজস্ব পণ্য উদ্ভাবনের চমৎকার সুযোগ পেয়েছেন।
জিপিহাউজে আয়োজিত এক বিশেষ সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শেষ হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা দুই শতাধিক আবেদনের মধ্য থেকে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৮০ জন শিক্ষার্থীকে এই বুটক্যাম্পের জন্য চূড়ান্ত করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার দারুণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। প্রোগ্রামিংয়ের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই কেবল এআই প্রম্পট ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর ওয়েবসাইট তৈরির অভিনব চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছিল তাদের।
বুটক্যাম্পটিতে ‘আইডিয়েট, বিল্ড, টেস্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের নানা সমস্যা চিহ্নিত করতে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তারা এআই-চালিত সমাধান তৈরি এবং সেগুলোকে ন্যূনতম ব্যবহার উপযোগী পণ্যে রূপান্তর করতে সক্ষম হন। প্রতিযোগিতায় ‘ট্রেজেক্টরি’ প্ল্যাটফর্মের নির্মাতা দলটি প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া ‘মাইজিপি কেয়ার’ প্ল্যাটফর্মের দল প্রথম রানার্স-আপ এবং ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন’ দল দ্বিতীয় রানার্স-আপ হওয়ার সাফল্য দেখায়।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের শেখার ও কাজ করার পদ্ধতি দ্রুত বদলে দিচ্ছে। নতুন এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। গ্রামীণফোনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ উদ্ভাবকরা দেশের প্রযুক্তি খাতে বড় অবদান রাখতে উদ্বুদ্ধ হবেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং একাডেমিটির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।





































