ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর: প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি, ২০ টাকায় মিলছে সেবনের ‘নিরাপদ’ জায়গাও

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকার ঘুণ্টিঘর রেললাইন চত্বরে দিনের বেলাতেই প্রকাশ্য মাদক ব্যবসা চলছে। সেখানে গাঁজা, হেরোইন এবং ইয়াবার মতো মাদক বিক্রির পাশাপাশি ক্রেতাদের জন্য সেবনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট মূল্যে মাদক কেনার পর সামান্য টাকায় তৈরি করা হয় সেবনের নিরাপদ স্থান।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রেললাইনের দুই পাশে গড়ে ওঠা ঝুপড়ি ঘরে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয়। মাদক কারবারিরা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই এলাকা পাহারা দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও নজর রাখে। পুলিশের তালিকাভুক্ত কয়েকজন মাদক কারবারি এই পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, চিহ্নিত মাদক কারবারিরা প্রকাশ্যে ব্যবসা চালালেও তারা সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের মুখে অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসেন। পুলিশ ফাঁড়ির কাছাকাছি এমন অপকর্ম চললেও কার্যকর কোনো প্রতিরোধ দেখা যায় না। জামিনে মুক্তি পেয়ে কারবারিরা আবারও পুরোনো পেশায় ফিরে আসেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঘুণ্টিঘর এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ছদ্মবেশে পরিচালিত ওই অভিযানে দুই নারীসহ বেশ কয়েকজন মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, এসব অপরাধীরা মূলত ভাসমান হওয়ায় তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত তদারকি বা স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা না নিলে এই মাদক স্পটগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়।

জনপ্রিয়

এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ রোনালদো

গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর: প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি, ২০ টাকায় মিলছে সেবনের ‘নিরাপদ’ জায়গাও

প্রকাশিত ০২:০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকার ঘুণ্টিঘর রেললাইন চত্বরে দিনের বেলাতেই প্রকাশ্য মাদক ব্যবসা চলছে। সেখানে গাঁজা, হেরোইন এবং ইয়াবার মতো মাদক বিক্রির পাশাপাশি ক্রেতাদের জন্য সেবনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট মূল্যে মাদক কেনার পর সামান্য টাকায় তৈরি করা হয় সেবনের নিরাপদ স্থান।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রেললাইনের দুই পাশে গড়ে ওঠা ঝুপড়ি ঘরে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয়। মাদক কারবারিরা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই এলাকা পাহারা দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও নজর রাখে। পুলিশের তালিকাভুক্ত কয়েকজন মাদক কারবারি এই পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, চিহ্নিত মাদক কারবারিরা প্রকাশ্যে ব্যবসা চালালেও তারা সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের মুখে অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসেন। পুলিশ ফাঁড়ির কাছাকাছি এমন অপকর্ম চললেও কার্যকর কোনো প্রতিরোধ দেখা যায় না। জামিনে মুক্তি পেয়ে কারবারিরা আবারও পুরোনো পেশায় ফিরে আসেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঘুণ্টিঘর এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ছদ্মবেশে পরিচালিত ওই অভিযানে দুই নারীসহ বেশ কয়েকজন মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, এসব অপরাধীরা মূলত ভাসমান হওয়ায় তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত তদারকি বা স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা না নিলে এই মাদক স্পটগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়।