ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জাবির তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক অধ্যাপক মোস্তফা নাজমুল Logo জাবি ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ: ইতিহাস পরিবহনের ১২ বাস আটক Logo বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হচ্ছে Logo বাপাজসের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হলেন নোবিপ্রবির ইফতেখার হোসাইন Logo পদ্মার দুই কাতল ও এক বাঘাইড়ের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার Logo নিউ জিল্যান্ডে রোহিতের চেয়ে কোহলির সেঞ্চুরির ‘সম্ভাবনা বেশি’ Logo শিল্পকলায় মঞ্চ মাতালেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা Logo ঘরের কাজের জন্য হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করছে মেটা Logo জিপিএ-৫ পেয়েছে রাকিব, কাঁদছে পরিবার Logo ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি কত দিন, মন্ত্রিসভার অনুমোদন

৫ হাজার টনেরও বেশি ওজনের স্টারশিপ রকেট কতটা শক্তিশালী?

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির উৎকর্ষে নির্মিত স্পেসএক্সের স্টারশিপ রকেট বর্তমানে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ ও শক্তিশালী মহাকাশযান হিসেবে পরিচিত। এর দুটি অংশ একত্রিত করলে মোট উচ্চতা দাঁড়ায় ৪০৭ ফুট, যা বিখ্যাত স্ট্যাচু অফ লিবার্টির চেয়ে এক-তৃতীয়াংশ বেশি উঁচু। এযাবৎকালের উৎক্ষেপণ করা যেকোনো রকেটের তুলনায় এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এর উৎক্ষেপণ থ্রাস্ট ১ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড-ফোর্স।

বিশাল আকৃতির এই রকেটের নিচের অংশটি ‘সুপার হেভি’ নামে পরিচিত একটি বুস্টার, যা রকেটটিকে আকাশে তুলতে প্রথম ধাক্কা দেয়। এর ঠিক ওপরে ১৭০.৬ ফুট দীর্ঘ স্টারশিপ মহাকাশযানটি অবস্থান করে এবং এর সুপার হেভি বুস্টারে ৩৩টি র‍্যাপ্টর ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়েছে। নাসার এসএলএস রকেটের তুলনায় এই রকেটের শক্তি দ্বিগুণ এবং এটি মহাকাশে ভারী বোঝা বহনের জন্য নকশা করা হয়েছে।

স্পেসএক্স এই রকেটের মাধ্যমে পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে নিরাপদে মানুষ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পরিবহন করার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই যানের সুপার হেভি বুস্টারের নিজস্ব জ্বালানি ধারণক্ষমতা ৩ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন এবং স্টারশিপ অতিরিক্ত ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন জ্বালানি ধারণ করতে পারে। ফলে সবমিলিয়ে এই যানের সঙ্গে আরও ৫ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন জ্বালানি যুক্ত হয়।

চাঁদের পৃষ্ঠে নামার বিভিন্ন মিশনের ক্ষেত্রে স্টারশিপকে অবশ্যই পৃথিবীর কক্ষপথে পুনরায় জ্বালানি নিতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। স্পেসএক্স ও নাসা যৌথভাবে এই জটিল অভিযানের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে যাতে মহাকাশে জ্বালানি ভাণ্ডার ব্যবহার করা যায়। মহাকাশের চরম ঠাণ্ডা পরিবেশে জ্বালানি সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও নিখুঁত পরিকল্পনা এটি সম্ভব করে তুলছে।

জনপ্রিয়

জাবির তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক অধ্যাপক মোস্তফা নাজমুল

৫ হাজার টনেরও বেশি ওজনের স্টারশিপ রকেট কতটা শক্তিশালী?

প্রকাশিত ০৬:৫২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির উৎকর্ষে নির্মিত স্পেসএক্সের স্টারশিপ রকেট বর্তমানে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ ও শক্তিশালী মহাকাশযান হিসেবে পরিচিত। এর দুটি অংশ একত্রিত করলে মোট উচ্চতা দাঁড়ায় ৪০৭ ফুট, যা বিখ্যাত স্ট্যাচু অফ লিবার্টির চেয়ে এক-তৃতীয়াংশ বেশি উঁচু। এযাবৎকালের উৎক্ষেপণ করা যেকোনো রকেটের তুলনায় এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এর উৎক্ষেপণ থ্রাস্ট ১ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড-ফোর্স।

বিশাল আকৃতির এই রকেটের নিচের অংশটি ‘সুপার হেভি’ নামে পরিচিত একটি বুস্টার, যা রকেটটিকে আকাশে তুলতে প্রথম ধাক্কা দেয়। এর ঠিক ওপরে ১৭০.৬ ফুট দীর্ঘ স্টারশিপ মহাকাশযানটি অবস্থান করে এবং এর সুপার হেভি বুস্টারে ৩৩টি র‍্যাপ্টর ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়েছে। নাসার এসএলএস রকেটের তুলনায় এই রকেটের শক্তি দ্বিগুণ এবং এটি মহাকাশে ভারী বোঝা বহনের জন্য নকশা করা হয়েছে।

স্পেসএক্স এই রকেটের মাধ্যমে পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে নিরাপদে মানুষ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পরিবহন করার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই যানের সুপার হেভি বুস্টারের নিজস্ব জ্বালানি ধারণক্ষমতা ৩ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন এবং স্টারশিপ অতিরিক্ত ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন জ্বালানি ধারণ করতে পারে। ফলে সবমিলিয়ে এই যানের সঙ্গে আরও ৫ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন জ্বালানি যুক্ত হয়।

চাঁদের পৃষ্ঠে নামার বিভিন্ন মিশনের ক্ষেত্রে স্টারশিপকে অবশ্যই পৃথিবীর কক্ষপথে পুনরায় জ্বালানি নিতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। স্পেসএক্স ও নাসা যৌথভাবে এই জটিল অভিযানের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে যাতে মহাকাশে জ্বালানি ভাণ্ডার ব্যবহার করা যায়। মহাকাশের চরম ঠাণ্ডা পরিবেশে জ্বালানি সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও নিখুঁত পরিকল্পনা এটি সম্ভব করে তুলছে।