ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শুটিংয়ে বাধা দেওয়া সেই বাড়িটিই কিনে নিলেন শাহরুখ Logo তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo আবারও বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত চীনের Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo স্টাইল ও প্রযুক্তির নতুন আয়োজনে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo ক্রেডিলিংককে প্রযুক্তি সেবা দেবে বিট্র্যাক সলিউশনস Logo চেয়ারে বসা নিয়ে রাবির দুই বিভাগের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৪ Logo মিলাদুন্নবীতে দুই সংগঠনকে আমন্ত্রণ না দেয়ার অভিযোগ কবি নজরুল কলেজ প্রশাসনের বিরুদ্ধে Logo কবি নজরুল কলেজে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল Logo কুবির হলে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে রাতভর র‍্যাগিং, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ

শীতের আগমনে গ্রামীণ আবহে ইবিতে তারুণ্যের হৈমন্তী উৎসব

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১১:৪২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২২০ বার পঠিত

শীতের আগমনে গ্রামীণ আবহ তৈরি করতে ‘হৈমন্তী উৎসব-১৪৩২’- এর আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্য’। রোববার (৩০ নভেম্বর) দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে উৎসবটি আয়োজন করে সংগঠনটি।

এ উপলক্ষে সকাল থেকেই বটতলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে জমে ওঠে উৎসব। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই তৈরি করে এনেছিলাম বিভিন্ন পিঠাপুলি ও গ্রামীণ খাবার। দুধ চিতই, নকশী পিঠা, ঝাল পুলি, হৃদয় হরণ, তেজপাতা পিঠা, জামাই পিঠা, পায়েশ, পাটিসাপটা, তেল পিঠা ও পুডিং। এছাড়াও খিচুড়ির আয়োজন, যার সঙ্গে ছিল বেগুনী, আলুর চপ, ঝালভর্তা, ডিমের দো-পেঁয়াজা ও বেগুন ভাজি।

সরেজমিনে দেখা যায়, আয়োজন স্থলে গ্রামীণ আবহ তৈরি করতে সৌন্দর্যবর্ধনে পাটের চট, কলাগাছ ও পাতা, মাটির তৈজসপত্র ব্যাবহার করা হয়। গ্রামীণ পিঠাপুলি ও খাবারের স্বাদ আস্বাদনের পাশাপাশি সেখানে আড্ডা ও খাবারের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা, দোলনা এবং ফটোফ্রেম, বুক লাইব্রেরী ও রিভিউ বোর্ড রাখা হয়েছে।

ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া জেসমিন বলেন, “আজকের তারুণ্যের হৈমন্তী উৎসবে দেখছি এখানে বাঙালি নানা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা শীতকালে খেতে পছন্দ করি এরকম কিছু খাবারের ব্যবস্থা আছে। এটা অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়েছে । সবাই পিঠা খেতে আকৃষ্ট হচ্ছে, বা আমিও অনেক পিঠা খেয়ে দেখছি। এটা একটা প্রাণবন্ত একটা উৎসবে পরিণত হয়েছে।”

তারুণ্যর সদস্য সচিব ফারহানা আইরিন বলেন “শীতের আমেজ শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সেই অনুভূতি পৌঁছে দিতেই তারা হৈমন্তী উৎসবের আয়োজন করেছেন। এই উৎসবে পিঠার আয়োজন এবং খিচুড়ির আয়োজন রাখা হয়েছে। খাবারগুলো সম্পূর্ণ হোমমেড তৈরি করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বাড়ির খাবারের স্বাদ পায়। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা যোগাতে এবং উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করতে ফটো বুথ এবং রিভিউ বোর্ডের মতো আয়োজনও রয়েছে।”

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ হিমেল বলেন, “হেমন্তকালকে আরও মনোমুগ্ধকর রূপে সাজানোর উদ্দেশ্যে, “তারুণ্য” কর্তৃক প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে হৈমন্তী উৎসব ১৪৩২। এই উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীলতা, বন্ধুত্ব এবং উন্মুক্ত মিলনমেলাকে আরও উপভোগ্য করে তোলা। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ পিঠা ও খিচুড়ির আয়োজন। সামগ্রিকভাবে, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক চর্চায় তারুণ্য যেন একটি রঙিন অধ্যায় যোগ করতে পারে, সেই প্রত্যাশা করছি।”

জনপ্রিয়

শুটিংয়ে বাধা দেওয়া সেই বাড়িটিই কিনে নিলেন শাহরুখ

শীতের আগমনে গ্রামীণ আবহে ইবিতে তারুণ্যের হৈমন্তী উৎসব

প্রকাশিত ১১:৪২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

শীতের আগমনে গ্রামীণ আবহ তৈরি করতে ‘হৈমন্তী উৎসব-১৪৩২’- এর আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্য’। রোববার (৩০ নভেম্বর) দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে উৎসবটি আয়োজন করে সংগঠনটি।

এ উপলক্ষে সকাল থেকেই বটতলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে জমে ওঠে উৎসব। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই তৈরি করে এনেছিলাম বিভিন্ন পিঠাপুলি ও গ্রামীণ খাবার। দুধ চিতই, নকশী পিঠা, ঝাল পুলি, হৃদয় হরণ, তেজপাতা পিঠা, জামাই পিঠা, পায়েশ, পাটিসাপটা, তেল পিঠা ও পুডিং। এছাড়াও খিচুড়ির আয়োজন, যার সঙ্গে ছিল বেগুনী, আলুর চপ, ঝালভর্তা, ডিমের দো-পেঁয়াজা ও বেগুন ভাজি।

সরেজমিনে দেখা যায়, আয়োজন স্থলে গ্রামীণ আবহ তৈরি করতে সৌন্দর্যবর্ধনে পাটের চট, কলাগাছ ও পাতা, মাটির তৈজসপত্র ব্যাবহার করা হয়। গ্রামীণ পিঠাপুলি ও খাবারের স্বাদ আস্বাদনের পাশাপাশি সেখানে আড্ডা ও খাবারের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা, দোলনা এবং ফটোফ্রেম, বুক লাইব্রেরী ও রিভিউ বোর্ড রাখা হয়েছে।

ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া জেসমিন বলেন, “আজকের তারুণ্যের হৈমন্তী উৎসবে দেখছি এখানে বাঙালি নানা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা শীতকালে খেতে পছন্দ করি এরকম কিছু খাবারের ব্যবস্থা আছে। এটা অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়েছে । সবাই পিঠা খেতে আকৃষ্ট হচ্ছে, বা আমিও অনেক পিঠা খেয়ে দেখছি। এটা একটা প্রাণবন্ত একটা উৎসবে পরিণত হয়েছে।”

তারুণ্যর সদস্য সচিব ফারহানা আইরিন বলেন “শীতের আমেজ শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সেই অনুভূতি পৌঁছে দিতেই তারা হৈমন্তী উৎসবের আয়োজন করেছেন। এই উৎসবে পিঠার আয়োজন এবং খিচুড়ির আয়োজন রাখা হয়েছে। খাবারগুলো সম্পূর্ণ হোমমেড তৈরি করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বাড়ির খাবারের স্বাদ পায়। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা যোগাতে এবং উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করতে ফটো বুথ এবং রিভিউ বোর্ডের মতো আয়োজনও রয়েছে।”

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ হিমেল বলেন, “হেমন্তকালকে আরও মনোমুগ্ধকর রূপে সাজানোর উদ্দেশ্যে, “তারুণ্য” কর্তৃক প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে হৈমন্তী উৎসব ১৪৩২। এই উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীলতা, বন্ধুত্ব এবং উন্মুক্ত মিলনমেলাকে আরও উপভোগ্য করে তোলা। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ পিঠা ও খিচুড়ির আয়োজন। সামগ্রিকভাবে, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক চর্চায় তারুণ্য যেন একটি রঙিন অধ্যায় যোগ করতে পারে, সেই প্রত্যাশা করছি।”