ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কেরানীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার Logo রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ক্রুটি : বহু শিক্ষার্থীকে দেখানো হয়েছে ফেল Logo খাতা মূল্যায়নে কারচুপির অভিযোগে ববিতে শিক্ষার্থীর আমরণ অনশন Logo চার দিনের সফরে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন জাবি উপাচার্য  Logo বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন: জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা নিয়ে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন  Logo রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট Logo কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ‘আমি প্রবাসী’ ও ‘কে-ভিলেজ’-এর চুক্তি Logo জাবিতে রসায়ন সংসদের সহ-সভাপতি রিয়াদ, সম্পাদক কনক Logo পদোন্নতি বোর্ডে দীর্ঘ স্থবিরতা, ববিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ Logo কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক কমিটিতে কুবির দুই শিক্ষক

পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার

পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (ডিএমপি) মো. সরওয়ার।

রবিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর রমনা পার্কে ডিএমপির অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পয়লা বৈশাখ ঘিরে জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কা নেই। তবুও আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও চারুকলা অনুষদ কর্তৃক আয়োজিত বৈশাখী শোভাযাত্রাসহ অন্যান্য সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানসমূহকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীকে ৯টি সেক্টরে, ১৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্তসংখ্যক ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলসমূহ ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল দ্বারা সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে SWAT, Mounted Police, K-9, Bomb Disposal, Crime Scene Van, DB & CTTC মোতায়েন থাকবে।রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে মোট ১৪টি স্থানে ব্যারিকেড ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে ও হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা করা হবে। অনুষ্ঠানস্থল ও শোভাযাত্রার রুট সমূহ সিসি ক্যামেরা, স্টিল ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা ও ড্রোন ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।

তিনি বলেন, অনুষ্ঠান স্থলের চারপাশে ও শোভাযাত্রার রুটে পর্যাপ্ত পরিমাণ পিকেট, ফুট পেট্রোল ও লাইনিং ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের উপর থেকে মনিটরিং করার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করা হবে এবং রুফটপে ফোর্স মোতায়েন থাকবে। ডিবি ও সিটিটিসির পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্যগণ সাদা পোশাকে মোতায়েন থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলে হকার প্রবেশ করে যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেজন্য বিশেষ টিম কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদা পোশাকে পুলিশদল মোতায়েন থাকবে।

অনুষ্ঠানসমূহের নিরাপত্তায় অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার’ স্থাপন করা হবে। সেখানে মাইকিং ব্যবস্থা থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও সাইবার পেট্রোলিংসহ নববর্ষ কেন্দ্রিক অপপ্রচার রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে-কোনো অপতৎপরতা মনিটরিং করা হবে।
তিনি বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশি কাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা করবেন। অনুষ্ঠানস্থলে কোনো প্রকার মুখোশ, ব্যাগ, ধারালো বস্তু ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে আসা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে এবং অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে হবে। কোন ধরনের ফানুস বা আতশবাজি ফুটানো যাবে না এবং শব্দ দূষণ হয় এরকম কোনো বাঁশি ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান সকাল ০৬:১৫ টা থেকে সকাল ০৮:২৫ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে তিনটি গেইট দিয়ে কেবল প্রবেশ করা যাবে। গেইটগুলো হলো-অরুনোদয় গেইট, রমনা রেস্তোরাঁ গেইট ও শিশু পার্কের বিপরীতে অস্তাচল গেইট। অনুষ্ঠান থেকে কেবল বের হওয়ার জন্য দুটি গেইট ব্যবহার করা যাবে। গেইটগুলো হলো-উত্তরায়ণ গেইট ও বৈশাখী গেইট। এছাড়া তিনটি গেইট- শ্যামলীমা গেইট, স্টার গেইট এবং বৈশাখী ও অস্তাচল গেইটের মাঝামাঝি নতুন গেইট প্রবেশ ও বাহির উভয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে। হর্টিকালচার গেইট প্রবেশ গেট হিসেবে থাকবে। ছায়ানটের অুনষ্ঠানে শিল্পী-কলাকৌশলী, সাংবাদিক, পুরুষ ও নারী দর্শনার্থী পৃথক পৃথক গেইট দিয়ে প্রবেশ ও বাহির হবেন। সবাইকে তল্লাশির মধ্যদিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

রমনা পার্ক বিকাল পাঁচ টা পর্যন্ত প্রবেশ গেইট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বিকাল পাঁচ টার পর সকল গেইট বাহির গেইট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। অনুষ্ঠানস্থলসমূহে সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য ভোর ৫ ঘটিকায় গেইট খোলা থাকবে এবং সন্ধ্যা ০৬.০০ টার মধ্যে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করে রমনা পার্ক ত্যাগ করতে হবে।

বৈশাখী শোভাযাত্রা ১৪ এপ্রিল ৯:০০ টায় শুরু হবে। শোভাযাত্রাটি চারুকলা হতে শুরু হয়ে শাহবাগ থানা মোড়-টিএসসি ক্রসিং(রাজু ভাস্কর্য)-ঢা.বি মেট্রো স্টেশন- তিন নেতার মাজার-দোয়েল চত্বর ক্রসিং (ইউটার্ন)-বাংলা একাডেমি-টিএসসি হয়ে পুনরায় চারুকলায় গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রার পুরো রুটটি নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে। শোভাযাত্রার পাশ থেকে বিকল্প পথে শোভাযাত্রায় সমবেত হওয়া যাবে না।
নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে আগামী মঙ্গলবার ভোর ৫ টায় পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত রমনা পার্ক (রমনা বটমূল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশ এলাকাসমুহে রাস্তা বন্ধ/রোড ডাইভারশন দেওয়া হবে।

পহেলা বৈশাখের দিনে বা পূর্ববর্তী সময়ে যেকোনো অপ্রীতিকর, সন্দেহমূলক ও অস্বাভাবিক গতিবিধি পরিলক্ষিত হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এবং অনুষ্ঠানস্থলে স্থাপিত অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুমে যোগাযোগ করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

পহেলা বৈশাখের উৎসব সার্বজনীন উৎসব। এই উৎসব আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপনের জন্য সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ সময় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

কেরানীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত ০৮:৫৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (ডিএমপি) মো. সরওয়ার।

রবিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর রমনা পার্কে ডিএমপির অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পয়লা বৈশাখ ঘিরে জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কা নেই। তবুও আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও চারুকলা অনুষদ কর্তৃক আয়োজিত বৈশাখী শোভাযাত্রাসহ অন্যান্য সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানসমূহকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীকে ৯টি সেক্টরে, ১৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্তসংখ্যক ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলসমূহ ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল দ্বারা সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে SWAT, Mounted Police, K-9, Bomb Disposal, Crime Scene Van, DB & CTTC মোতায়েন থাকবে।রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে মোট ১৪টি স্থানে ব্যারিকেড ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে ও হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা করা হবে। অনুষ্ঠানস্থল ও শোভাযাত্রার রুট সমূহ সিসি ক্যামেরা, স্টিল ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা ও ড্রোন ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।

তিনি বলেন, অনুষ্ঠান স্থলের চারপাশে ও শোভাযাত্রার রুটে পর্যাপ্ত পরিমাণ পিকেট, ফুট পেট্রোল ও লাইনিং ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের উপর থেকে মনিটরিং করার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করা হবে এবং রুফটপে ফোর্স মোতায়েন থাকবে। ডিবি ও সিটিটিসির পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্যগণ সাদা পোশাকে মোতায়েন থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলে হকার প্রবেশ করে যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেজন্য বিশেষ টিম কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদা পোশাকে পুলিশদল মোতায়েন থাকবে।

অনুষ্ঠানসমূহের নিরাপত্তায় অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার’ স্থাপন করা হবে। সেখানে মাইকিং ব্যবস্থা থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও সাইবার পেট্রোলিংসহ নববর্ষ কেন্দ্রিক অপপ্রচার রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে-কোনো অপতৎপরতা মনিটরিং করা হবে।
তিনি বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশি কাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা করবেন। অনুষ্ঠানস্থলে কোনো প্রকার মুখোশ, ব্যাগ, ধারালো বস্তু ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে আসা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে এবং অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে হবে। কোন ধরনের ফানুস বা আতশবাজি ফুটানো যাবে না এবং শব্দ দূষণ হয় এরকম কোনো বাঁশি ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান সকাল ০৬:১৫ টা থেকে সকাল ০৮:২৫ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে তিনটি গেইট দিয়ে কেবল প্রবেশ করা যাবে। গেইটগুলো হলো-অরুনোদয় গেইট, রমনা রেস্তোরাঁ গেইট ও শিশু পার্কের বিপরীতে অস্তাচল গেইট। অনুষ্ঠান থেকে কেবল বের হওয়ার জন্য দুটি গেইট ব্যবহার করা যাবে। গেইটগুলো হলো-উত্তরায়ণ গেইট ও বৈশাখী গেইট। এছাড়া তিনটি গেইট- শ্যামলীমা গেইট, স্টার গেইট এবং বৈশাখী ও অস্তাচল গেইটের মাঝামাঝি নতুন গেইট প্রবেশ ও বাহির উভয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে। হর্টিকালচার গেইট প্রবেশ গেট হিসেবে থাকবে। ছায়ানটের অুনষ্ঠানে শিল্পী-কলাকৌশলী, সাংবাদিক, পুরুষ ও নারী দর্শনার্থী পৃথক পৃথক গেইট দিয়ে প্রবেশ ও বাহির হবেন। সবাইকে তল্লাশির মধ্যদিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

রমনা পার্ক বিকাল পাঁচ টা পর্যন্ত প্রবেশ গেইট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বিকাল পাঁচ টার পর সকল গেইট বাহির গেইট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। অনুষ্ঠানস্থলসমূহে সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য ভোর ৫ ঘটিকায় গেইট খোলা থাকবে এবং সন্ধ্যা ০৬.০০ টার মধ্যে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করে রমনা পার্ক ত্যাগ করতে হবে।

বৈশাখী শোভাযাত্রা ১৪ এপ্রিল ৯:০০ টায় শুরু হবে। শোভাযাত্রাটি চারুকলা হতে শুরু হয়ে শাহবাগ থানা মোড়-টিএসসি ক্রসিং(রাজু ভাস্কর্য)-ঢা.বি মেট্রো স্টেশন- তিন নেতার মাজার-দোয়েল চত্বর ক্রসিং (ইউটার্ন)-বাংলা একাডেমি-টিএসসি হয়ে পুনরায় চারুকলায় গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রার পুরো রুটটি নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে। শোভাযাত্রার পাশ থেকে বিকল্প পথে শোভাযাত্রায় সমবেত হওয়া যাবে না।
নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে আগামী মঙ্গলবার ভোর ৫ টায় পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত রমনা পার্ক (রমনা বটমূল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশ এলাকাসমুহে রাস্তা বন্ধ/রোড ডাইভারশন দেওয়া হবে।

পহেলা বৈশাখের দিনে বা পূর্ববর্তী সময়ে যেকোনো অপ্রীতিকর, সন্দেহমূলক ও অস্বাভাবিক গতিবিধি পরিলক্ষিত হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এবং অনুষ্ঠানস্থলে স্থাপিত অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুমে যোগাযোগ করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

পহেলা বৈশাখের উৎসব সার্বজনীন উৎসব। এই উৎসব আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপনের জন্য সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ সময় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।