ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ট্রাইব্যুনালে ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেনের’ মন্তব্য, এবি পার্টির ফুয়াদকে তলব Logo উত্তরার বারে তাহসিফের সঙ্গে দেখা যাওয়া তরুণী গ্রেপ্তার Logo ‘অসত্য বয়ানের’ অভিযোগ, আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ Logo ইতালিতে ‘ভুল অনুবাদের’ অভিযোগে বাংলাদেশি দোভাষী আটক Logo অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ছাড়াও ব্যক্তিত্বের রয়েছে আরও দুটি ধরন Logo চুক্তি আছে, কর্মী নেই: গ্রিসের শ্রমবাজারে পিছিয়ে বাংলাদেশ Logo গোল করার পর ইয়ামালকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া ‘সহজ’ Logo যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী দিবসে বাংলাদেশিসহ ৭ জনকে সম্মাননা Logo শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেল ববির শিক্ষার্থীদের সংগঠন ODM Logo জাকসু নির্বাচন কমিশন কার্যালয় উচ্ছেদের চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ ছাত্র ইউনিয়নের

কোকেনের সূত্রে ৬৩ বিদেশির আস্তানা, গ্রেফতার সেই মহসিন

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় সম্প্রতি বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকের অবস্থানের রহস্য উন্মোচন করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ১২ সেপ্টেম্বর কুরিয়ারের একটি চালানকে কেন্দ্র করে চলা অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে যে, স্থানীয় এক ব্যক্তি এই বিদেশি নাগরিকদের আশ্রয় ও নিরাপত্তার মূল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন। উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি চালানের সূত্র ধরেই মূলত এই বিশাল আস্তানার সন্ধান পায় পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ মহসিন, যার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায় এবং তিনি চট্টগ্রাম নগরের কর্ণফুলী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার মাধ্যমে খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার চার নম্বর সড়কে একটি আটতলা ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, যেখানে চীন, পাকিস্তান, লাওস, নেপাল ও ভিয়েতনামের মোট ৬৩ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছিলেন। প্রায় দেড় মাস ধরে চলা এই আস্তানায় থাকা বিদেশিদের সবার পাসপোর্টও ওই ব্যক্তির কাছে জমা রাখা হয়েছিল।

এর আগে পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের যৌথ অভিযানে ওই আটতলা ভবন ঘেরাও করে বিদেশিদের আটক করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন ও ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ওই ভবনে অবস্থান করে সাইবার মাধ্যম ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে নানা ধরনের অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছিল।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিদেশিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মূল অভিযুক্ত মহসিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর পাশাপাশি রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ড মঞ্জুর হলে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং বিদেশিদের সেখানে কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে।

জনপ্রিয়

ট্রাইব্যুনালে ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেনের’ মন্তব্য, এবি পার্টির ফুয়াদকে তলব

কোকেনের সূত্রে ৬৩ বিদেশির আস্তানা, গ্রেফতার সেই মহসিন

প্রকাশিত ০৫:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় সম্প্রতি বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকের অবস্থানের রহস্য উন্মোচন করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ১২ সেপ্টেম্বর কুরিয়ারের একটি চালানকে কেন্দ্র করে চলা অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে যে, স্থানীয় এক ব্যক্তি এই বিদেশি নাগরিকদের আশ্রয় ও নিরাপত্তার মূল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন। উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি চালানের সূত্র ধরেই মূলত এই বিশাল আস্তানার সন্ধান পায় পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ মহসিন, যার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায় এবং তিনি চট্টগ্রাম নগরের কর্ণফুলী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার মাধ্যমে খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার চার নম্বর সড়কে একটি আটতলা ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, যেখানে চীন, পাকিস্তান, লাওস, নেপাল ও ভিয়েতনামের মোট ৬৩ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছিলেন। প্রায় দেড় মাস ধরে চলা এই আস্তানায় থাকা বিদেশিদের সবার পাসপোর্টও ওই ব্যক্তির কাছে জমা রাখা হয়েছিল।

এর আগে পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের যৌথ অভিযানে ওই আটতলা ভবন ঘেরাও করে বিদেশিদের আটক করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন ও ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ওই ভবনে অবস্থান করে সাইবার মাধ্যম ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে নানা ধরনের অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছিল।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিদেশিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মূল অভিযুক্ত মহসিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর পাশাপাশি রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ড মঞ্জুর হলে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং বিদেশিদের সেখানে কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে।