ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ডে অস্বস্তিতে বিএনপি

রাজনীতি ডেস্ক: মাদকবিরোধী অভিযানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় দল ও সরকারের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে ইশরাককে অস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করতে দেখা যায় এবং তাঁর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার পর বিএনপির অভ্যন্তরীণ মহল এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন যে হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্যই তিনি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ অস্ত্রটি অল্প সময়ের জন্য উঁচিয়ে ধরেছিলেন। এলাকার মাদকের বিস্তার ও পুলিশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয় মানুষের দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বলে তাঁর ভাষ্য। তবে মাদক দমনের উদ্দেশ্য নিয়ে আপত্তি না থাকলেও, তাঁর এই ধরনের অভিযান পরিচালনার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও পরিচ্ছন্নতামূলক কর্মসূচির ইতিবাচক আলোচনা এই ঘটনায় ম্লান হয়ে গেছে বলে মনে করছেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এছাড়া একজন মন্ত্রীর এমন আচরণ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং বিদেশি কূটনীতিকদের কাছেও নেতিবাচক বার্তা পাঠাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং আইনের ব্যত্যয় ঘটলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে যে এই অভিযان পরিচালনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আগে থেকে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমন্বয় করেননি। সব মিলিয়ে, মাদক দমনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকার পরও নিজের হাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার এই পদ্ধতি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

জনপ্রিয়

দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙনে নিঃস্ব বহু পরিবার, শিক্ষাবঞ্চিত শিশুরা

ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ডে অস্বস্তিতে বিএনপি

প্রকাশিত ০৬:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: মাদকবিরোধী অভিযানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় দল ও সরকারের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে ইশরাককে অস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করতে দেখা যায় এবং তাঁর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার পর বিএনপির অভ্যন্তরীণ মহল এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন যে হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্যই তিনি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ অস্ত্রটি অল্প সময়ের জন্য উঁচিয়ে ধরেছিলেন। এলাকার মাদকের বিস্তার ও পুলিশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয় মানুষের দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বলে তাঁর ভাষ্য। তবে মাদক দমনের উদ্দেশ্য নিয়ে আপত্তি না থাকলেও, তাঁর এই ধরনের অভিযান পরিচালনার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও পরিচ্ছন্নতামূলক কর্মসূচির ইতিবাচক আলোচনা এই ঘটনায় ম্লান হয়ে গেছে বলে মনে করছেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এছাড়া একজন মন্ত্রীর এমন আচরণ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং বিদেশি কূটনীতিকদের কাছেও নেতিবাচক বার্তা পাঠাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং আইনের ব্যত্যয় ঘটলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে যে এই অভিযان পরিচালনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আগে থেকে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমন্বয় করেননি। সব মিলিয়ে, মাদক দমনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকার পরও নিজের হাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার এই পদ্ধতি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।