ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু Logo উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক Logo মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলা: সেই অভিভাবককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ Logo ভিভো ভি৮০ আসছে রাইজ অরেঞ্জের নতুন আকর্ষণে! Logo রাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭৪ শিক্ষক-শিক্ষার্থী Logo মহাকাশে চালু হয়েছে গুগলের এআই, লিখেছে কবিতাও Logo উদযাপিত হলো হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী Logo জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক অধ্যাপক মানছুরকে যোগদান না করতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকের হুমকি Logo প্রকৃতির পালাবদলে বদলে যাচ্ছে শীতের চিরচেনা রূপ Logo স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি

ছাত্রদল নেতা এইচ এম আবু জাফর এর উদ্যোগে ১০০০ বৃক্ষরোপণ

রাজধানীর বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটির সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফরের উদ্যোগে একটি বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১,০০০টি নিম ও নারিকেল গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ কর্মসূচিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশ শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফর বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন, তা ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সেই মহৎ উদ্যোগকে সফল করার লক্ষ্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।”

 

তিনি আরও বলেন, “বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশ সংরক্ষণ কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এটি প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। একটি সবুজ, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।”

পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের দৈনন্দিন অসচেতনতার কারণে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলার প্রবণতা নগরজীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে। এসব বর্জ্য ড্রেন ও ম্যানহোলের মুখ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে, ফলে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিচ্ছন্নতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অনুসরণ করে আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, পরিচ্ছন্ন রাখি বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে ধারণ করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু

ছাত্রদল নেতা এইচ এম আবু জাফর এর উদ্যোগে ১০০০ বৃক্ষরোপণ

প্রকাশিত ১১:১৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটির সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফরের উদ্যোগে একটি বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১,০০০টি নিম ও নারিকেল গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ কর্মসূচিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশ শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফর বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন, তা ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সেই মহৎ উদ্যোগকে সফল করার লক্ষ্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।”

 

তিনি আরও বলেন, “বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশ সংরক্ষণ কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এটি প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। একটি সবুজ, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।”

পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের দৈনন্দিন অসচেতনতার কারণে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলার প্রবণতা নগরজীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে। এসব বর্জ্য ড্রেন ও ম্যানহোলের মুখ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে, ফলে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিচ্ছন্নতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অনুসরণ করে আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, পরিচ্ছন্ন রাখি বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে ধারণ করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।