ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

সংকটে সৃজনশীল বইয়ের বাজার, বাড়াতে হবে পাঠক

সাহিত্য ডেস্ক: কাগজ ও মুদ্রণব্যয় বৃদ্ধি, সীমিত বাজার এবং পাঠাভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে দেশের সৃজনশীল প্রকাশনা শিল্প বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অমর একুশে বইমেলাকে কেন্দ্র করে মানুষের আগ্রহ দেখা গেলেও, সেই আকর্ষণকে সারা বছরের নিয়মিত বই কেনার সংস্কৃতিতে রূপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বই প্রকাশের পেছনে লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশকদের শ্রম জড়িত থাকলেও বিক্রি প্রত্যাشিত পর্যায়ে না পৌঁছায় পুরো ব্যবস্থাটি চাপে পড়ছে।

দেশের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় বইয়ের বাজারের বড় সম্ভাবনা থাকলেও তা বাস্তবায়নে রয়েছে বেশ কিছু বাধা। আন্তর্জাতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক পাঠের হার ও সময় বেশ কম। তবে এই পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা এবং জাতীয় পর্যায়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিনিধিত্বশীল জরিপের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দের জন্য বই পড়ার অভ্যাস তৈরির সুযোগ বর্তমানে সীমিত হয়ে পড়েছে। পরীক্ষার অতিরিক্ত চাপের কারণে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই ও নোটের বাইরে পড়ার সুযোগ কম পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারগুলোকে আরও কার্যকর এবং শিশু-কিশোর উপযোগী বইয়ে সমৃদ্ধ করতে হবে।

স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ে গণগ্রন্থাগারগুলোকে গতিশীল করার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার চালুর মাধ্যমে বই মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বইয়ের দাম বাড়ায় পাঠকের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। প্রকাশকদের মানসম্মত ও বৈচিত্র্যময় বই প্রকাশের পাশাপাশি নিয়মিত বই পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।

জনপ্রিয়

জয়রথে মোহামেডান, ছুটছে কিংসও

সংকটে সৃজনশীল বইয়ের বাজার, বাড়াতে হবে পাঠক

প্রকাশিত ০৩:৫২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

সাহিত্য ডেস্ক: কাগজ ও মুদ্রণব্যয় বৃদ্ধি, সীমিত বাজার এবং পাঠাভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে দেশের সৃজনশীল প্রকাশনা শিল্প বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অমর একুশে বইমেলাকে কেন্দ্র করে মানুষের আগ্রহ দেখা গেলেও, সেই আকর্ষণকে সারা বছরের নিয়মিত বই কেনার সংস্কৃতিতে রূপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বই প্রকাশের পেছনে লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশকদের শ্রম জড়িত থাকলেও বিক্রি প্রত্যাشিত পর্যায়ে না পৌঁছায় পুরো ব্যবস্থাটি চাপে পড়ছে।

দেশের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় বইয়ের বাজারের বড় সম্ভাবনা থাকলেও তা বাস্তবায়নে রয়েছে বেশ কিছু বাধা। আন্তর্জাতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক পাঠের হার ও সময় বেশ কম। তবে এই পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা এবং জাতীয় পর্যায়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিনিধিত্বশীল জরিপের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দের জন্য বই পড়ার অভ্যাস তৈরির সুযোগ বর্তমানে সীমিত হয়ে পড়েছে। পরীক্ষার অতিরিক্ত চাপের কারণে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই ও নোটের বাইরে পড়ার সুযোগ কম পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারগুলোকে আরও কার্যকর এবং শিশু-কিশোর উপযোগী বইয়ে সমৃদ্ধ করতে হবে।

স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ে গণগ্রন্থাগারগুলোকে গতিশীল করার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার চালুর মাধ্যমে বই মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বইয়ের দাম বাড়ায় পাঠকের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। প্রকাশকদের মানসম্মত ও বৈচিত্র্যময় বই প্রকাশের পাশাপাশি নিয়মিত বই পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।